![]() |
| টিকটকার অ্যাথিনা মীম হতে চান মাওলানা মিছবাহের দশম স্ত্রী! সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল |
মাওলানা মিছবাহের দশম স্ত্রী হতে চান টিকটকার অ্যাথিনা মীম! সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল ভাইরাল
সাম্প্রতিক সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি নতুন ঘটনা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। আলোচিত ইসলামি বক্তা ও ৩১৩ প্রোপার্টিজের চেয়ারম্যান মাওলানা হাবিবুর রহমান মিছবাহকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের মাঝেই নতুন করে ঘি ঢেলেছেন জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর এবং টিকটকার অ্যাথিনা তাবাসসুম মীম। তিনি ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে মাওলানা মিছবাহের 'দশম স্ত্রী' হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন!
অ্যাথিনা মীমের ভাইরাল ফেসবুক পোস্ট
গত ২২ আগস্ট (শনিবার) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে অ্যাথিনা মীম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে একটি স্ট্যাটাস দেন, যা মুহূর্তের মধ্যেই নেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে।
"আমি কি ১০ নম্বর বউ হতে পারি? জীবনে বহুত টিকটক করেছি, এখন আপনাকে বিয়ে করে যদি জান্নাতে যেতে পারি। জান্নাতে যাওয়ার সুযোগটা করে দেন প্লিজ।"
মীমের এই পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড হওয়ার পরপরই নেটিজেনদের নজরে আসে। হাজার হাজার মানুষ এতে প্রতিক্রিয়া জানানোর পাশাপাশি শত শত মন্তব্য এবং শেয়ারের মাধ্যমে পোস্টটি ভাইরাল করে তোলেন। অনেকেই মন্তব্যের ঘরে বিভিন্ন ধরনের হাস্যরসাত্মক ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।
মাওলানা মিছবাহকে নিয়ে কেন এত আলোচনা?
অ্যাথিনা মীমের এই পোস্টটি এমন এক সময়ে এলো যখন মাওলানা হাবিবুর রহমান মিছবাহের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে দেশজুড়ে তুমুল সমালোচনা চলছে। সম্প্রতি তার পঞ্চম স্ত্রী মোসা. হুমায়রা জান্নাত তার বিরুদ্ধে যৌতুক দাবির অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
- মামলার অভিযোগ: ২০২০ সালে সোশ্যাল মিডিয়ার পরিচয়ের সূত্র ধরেই তাদের বিয়ে হয়েছিল বলে জানা যায়।
- গোপন তথ্য: পরবর্তীতে হুমায়রা জানতে পারেন যে, বিয়ের সময় মিছবাহ তার আগের চারটি বিয়ের তথ্য গোপন করেছিলেন এবং তাকে ছাড়াও মিছবাহ আরও বেশ কয়েকটি বিয়ে করেছেন।
- কাবিননামা বিহীন বিয়ে: সব মিলিয়ে তার মোট নয়টি বিয়ের তথ্য সামনে এসেছে, যার কোনোটিরই বৈধ কাবিননামা বা বিবাহ নিবন্ধন নেই বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
নেটিজেনদের প্রতিক্রিয়া
অ্যাথিনা মীমের এমন স্ট্যাটাসের পর সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই বিষয়টিকে নিছক মজা বা 'ভাইরাল' হওয়ার কৌশল হিসেবে দেখছেন। মন্তব্যের ঘরে একজন লিখেছেন, "টিকটক করলে কি মানুষ জাহান্নামি হয়ে যায় নাকি?" অন্য একজন লিখেছেন, "আপনি এত দুষ্টু কেন?" আবার অনেকেই মীমের এই পোস্টটিকে একটি তীব্র ব্যঙ্গাত্মক প্রতিবাদ হিসেবে গ্রহণ করেছেন।
শেষ কথা
সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে যেকোনো ঘটনাই মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। মাওলানা মিছবাহের একাধিক বিয়ে এবং যৌতুক মামলার মতো গুরুতর একটি বিষয়ের মাঝে টিকটকার অ্যাথিনা মীমের এই মন্তব্য নেটমাধ্যমে নতুন এক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এই ঘটনার জল কতদূর গড়ায়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
